Alok Kapali লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Alok Kapali লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১০

Tamim Iqbal is Injured | Alok Kapali can be replaced

কারো ইনজুরি কাপালীর দলে ঢোকানোর জন্য যথেষ্ট। তার সুযোগ হতে পারে তামিমের ইনজুরি
তামিমের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা অনিশ্চিত বলেই জাতীয় দলে ফেরার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে অলোক কাপালীর। ক্লাসিক ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত কাপালীকে বিশ্বকাপের ৩০ জনের মধ্যে রাখা হলেও সেরা ১৫তে নেই। কিন্তু এনসিএলে কাপালী তার পারফর্মেন্স দিয়েই আবার প্রমাণ করেছেন ২০ ওভারের ম্যাচে এখনো সেরা খেলাটি খেলতে পারবেন তিনি। অমত্মত, জাতীয় দলের তামিম ছাড়া বাকি ব্যাটসম্যানদের তুলনায় এনসিএলে তার ব্যাটিং গড় ভালো। বিশ্বকাপের ১৫ জনের নাম যেহেতু ঘোষণা হয়েছে, এ কারণে তার জাতীয় দলে ঢোকা একটু কঠিন বলে মানছেন ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান। তবে কারো ইনজুরি কাপালীর দলে ঢোকানোর জন্য যথেষ্ট। সেÿÿত্রে তার সুযোগ হতে পারে তামিমের ইনজুরি। এনসিএল খেলার সময় হাতে ব্যথা পেয়েছেন দেশের এই ওপেনার। ফিজিও জানিয়েছেন এই ইনজুরি কখনো অল্প সময়ে ভালো হয়, আবার দুই থেকে তিন সপ্তাহ লেগে যায়। ফিজিও হেনরি আরো জানান, তামিমের আগের জায়গায় আবার ব্যথা পেয়েছেন। ব্যথা সারতে সময় লাগবে। তবে তাকে আরো তিন-চারদিন দেখতে হবে। ৩ দিন পর তার ব্যাপারে সিদ্ধামত্ম নেয়া হবে। তামিম ছাড়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অবস্থান তেমন সুখকর হবে না যেটি ভালো করেই জানেন ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন সিরাজ। এ কারণে তামিম খেলতে পারবেন কিনা সেটি এখুনি কিছু বলতে নারাজ। এমনকি ফিজিও আশাবাদী বিশ্বকাপে তামিম খেলবেন। তবে ইনজুরি যদি তাকে খেলতে না দেয় তাহলে বিকল্প হিসেবে অনেকের নাম আসতে পারে। সেÿÿত্রে হয়তো লিষ্টে এগিয়ে থাকবেন অলোক।

আইসিএল থেকে ফিরে ইতিমধ্যে আফতাব এখন জাতীয় দলের অপরিহার্য খেলোয়াড় হিসেবে প্রমাণ করেছেন। শাহরিয়ার নাফীসকে সুযোগ দিলেও তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। এখন বাকি কাপালী, তবে ইংল্যান্ডের বিপÿÿ প্রাকটিস ম্যাচে তাকে খেলার প্রসত্মাব দেয়া হলেও তিনি নাকি তখন খেলতে চাননি বলে জানালেন এনায়েত হোসেন সিরাজ। তখন তার পারফর্মেন্স জাতীয় দলের দরজা হয়তো খুলে যেতে পারতো। এদিকে এনসিএলে তামিম এবং নাঈমের পাশাপাশি কাপালীও ৬ ম্যাচে ১৫৬ রান করেছেন, রান সংগ্রহকারীদের মধ্যে ভালো অবস্থানে রয়েছেন। তার ফর্মই জাতীয় দলের পথটা অনেক সহজ করে দিয়েছে। সেÿÿত্রে অবশ্য ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান কিছু জানালেন না। ‘তামিম যদি কোন কারণে বিশ্বকাপে খেলতে না পারেন, নির্বাচকরা বিকল্প খেলোয়াড়ের তালিকা দিবে, আমরা যাচাই-বাছাই শেষে সেটির অনুমোদন দিব। তখন যদি ফর্মে থাকা কোন খেলোয়াড় বাদ পড়ে সেটি আমরা দেখবো’।

ক্রিকেট অপারশেন্স যদিও খুলে কিছু বলেননি, তবে ধারণা করা যাচ্ছে, তামিম সুস্থ না হলে হয়তো সেই জায়গাটি পূরণ করা হবে কাপালীকে দিয়ে। কারণ, এই মুহূর্তে তামিমের জায়গাটি কাপালী পূরণ করতে পারেন। তার জন্য অপেÿা করতে হবে আগামী শুক্রবার পর্যমত্ম। সেদিনই বাংলাদেশের এই ওপেনারের বিষয়ে ফায়সালা হবে, আর পরের দিন শনিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবে বাংলাদেশ দল।

সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০১০

Mashrafee & Kapali ensured victory for Sylhet Sultan against Chittagong Cyclone


কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আইপিএলে একটি ম্যাচও খেলতে পারেননি মাশরাফি বিন মুর্তজা, এ কারণে কিছুটা সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছিল তার ফিটনেস নিয়ে। কিন্তু সব টেনশনকে আছড়ে ফেললেন কাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। চট্টগ্রাম সাইক্লোনকে ঠান্ডা করে নিজেই বনে যান সিলেটের সাইক্লোন। এক ওভারের সাইক্লোনে গোটা চট্টগ্রামের আকাশকে সত্মব্ধ করে দলকে প্রথম ম্যাচে ৫ উইকেটে জিতিয়ে আনেন জাতীয় দলের নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফি।

কাল এনসিএলের দ্বিতীয় দিনে তার ব্যাট ও বলের ছোঁয়ায় সিলেট সুলতান তাদের প্রথম জয় পায়। তবে ব্যাটিংয়ের প্রশংসার পয়েন্ট তিনি একটু বেশি পাবেন, কারণ, নাসির হোসেনের এক ওভারে তিনটি ছক্কা মেরে দলের জয়কে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসেন এই মাশরাফি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে তার এই পারফর্মেন্স গোটা জাতীয় দলকে আশান্বিত করছে। বল হাতে শেষ ওভারে অতি বুদ্বিমান বোলিং তামিমকে যেমন এনসিএলের প্রথম সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত করেছে তেমনি চট্টগ্রামের রানের ফোয়ারাও আটকে দিয়েছে। শেষ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে মাশরাফি তুলে নেন তামিম ও নাসিরকে। আর পাকিসত্মানী রাশেদ হানিফের বিদায়ের পর মাশরাফির সেই তুলকালাম নিশ্চয়ই অনেকদিন মনে রাখবে চট্টগ্রাম সাইক্লোন।

১৫২ রান টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ভালো স্কোর, ফরহাদ রেজার ব্যাটিং সিলেটকে আরো বড় স্বপ্ন দেখাচ্ছিল শুরম্ন থেকে। বিশেষ করে পাকিসত্মানী স্পিড স্টার নামে খ্যাত শোয়েব আকতারের বোলিং ফরহাদের কাছে মামুলি হয়েছে। এনামুলকে উইকেট দিয়ে আসার আগে ৫টি চার ও একটি লংঅনের উপর দিয়ে ছক্কা দেন তিনি। কাপালী অবশ্য তখনো তার হাত খুলে খেলেননি, ফরহাদের বিদায়ের পর শোয়েব, রম্নবেল হোসেন, সাকলাইন সজীবদের উপর চড়াও হয়ে মাত্র একরানের জন্য ফিফটির দেখা পাননি আইসিএলে দুর্দামত্ম খেলা কাপালী।

অবশ্য মাশরাফির সেই সাইক্লোনে কাছে কারো স্কোরই প্রাধান্য পায়নি। দীর্ঘদিনর পর মাঠে ফিরেও মাশরাফি প্রমাণ করেছেন এখনো তিনি সেরা। আর কলকাতা থেকে তাকে আনতে পেরে সিলেটও স্বসিত্মর নিঃশ্বাস ফেলছে। শুধু স্বসিত্ম পাচেছনা চট্টগ্রাম। দেড় কোটি টাকা দিয়ে দল সাজিয়েও একমাত্র তামিম ছাড়া আর কারোর পারফর্মেন্স আশানুরূপ পাচ্ছে না। আফতাব আহমেদ, নাফীস ইকবাল, এমনকি দুই বিদেশী খুররম মাঞ্জুর এবং শোয়েব আকতারকেও উজ্জ্বল দেখা যায়নি গত দুই ম্যাচে। উত্তম সরকার প্রথম ম্যাচে হাত খুলে খেললেও কাল তার ব্যাটিংও হতাশ করেছে সবাইকে। শোয়েব আকতার কাল ৪ ওভার বোলিং করে ২৯ রান দিয়েছেন ঠিকই; কিমত্মু উইকেট পাননি। এনসিএলের প্রথম ম্যাচেও ৩১ রান দিয়ে কোন উইকেট পাননি রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস নামে খ্যাত শোয়েব। চট্টগ্রাম সাইক্লোনের দুই বিদেশী রিক্রুট নিয়ে খোদ দলের কর্মকর্তারাও দ্বিধাদ্বন্দ্বে, কারণ, সেমিফাইনালের লাইনের হিসেব করতে হলে বাকি তিন ম্যাচ জয়ের কোন বিকল্প নেই। আফতাব, নাফীসদের যে ব্যাটিং এবং খুররম ও শোয়েবের যে পারফর্মেন্স তাতে সাইক্লোনকে একটু ভাবতে হবে বেশি করে। এনসিএলের তৃতীয় দিনে আজ দুপুরে খুলনা কিংসের সাথে লড়বে তামিমের সাইক্লোন দল।

সংÿÿপ্ত স্কোর

টস-সিলেট সুলতান। চট্টগ্রাম সাইক্লোন: ২০ ওভারে ১৫২/৭ (তামিম ৯১, উত্তম ১, খুররম ১৭, আফতাব ১, ডিকেন্স ২, নাফীস ৮, নাসির ২৪, শোয়েব অপ: ২, এনামুল অপ ০, অতি: ৬, মাশরাফি ২/৩৪, ফরহাদ ১/৪৯, হানিফ ১/১১, নাজমুল ১/৩০)। সিলেট সুলতান: ১৮.৫ ওভারে ১৫৩/৫ (সাদাত অপ: ৪, ফরহাদ ৩২, ইকবাল ২৭, কাপালী অপ: ৪৯, হানিফ ১০, মাশরাফি ২৬, মিলন ০, অতি: ৫, রম্নবেল ২/৩৭, এনামুল ১/১৫, সাকলাইন ১/২৮)। ফল: সিলেট সুলতান জয়ী ৫ উইকেটে।
Source: DITTQ